এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাইয়ে নিয়ম রক্ষার ম্যাচে ভারতকে হারানোর পর শেখ মোরসালিনকে নিয়ে নতুন উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। ২২ বছর পর বাংলাদেশ হারিয়েছে প্রতিপক্ষ ভারতকে। আগ্রহের কেন্দ্রে গোলদাতা শেখ মোরসালিন। দুই দিন ছুটি কাটিয়ে গতকাল ক্লাব অনুশীলনে যোগ দিলেন মোরসালিন।
এক মিনিটও স্বস্তি পাচ্ছেন না মোরসালিন। সমর্থকদের আবদার মেটাতে ছবি তোলার জন্য দাঁড়াতে হচ্ছে। সন্ধ্যা গড়িয়ে আবাহনীর অনুশীলন মাঠ ততক্ষণে আঁধারে ঢেকে গেছে। তারপরও সেখানে মোরসালিনকে নিয়ে জটলা। আবাহনীর ম্যানেজার সত্যজিত দাস রূপু তাড়া দিলেন।
নিজে উড়ছেন না, মাটিতে পা রাখছেন। গোল করে আনন্দে ভাসালেও সেদিনের ম্যাচ নিয়ে বলেন, 'এ ধরনের ম্যাচে গোল করে ইমোশনাল হয়ে যাওয়ার পর গোল হজম করতে পারি। সে কারণে আমরা ইমোশনাটাকে ধরে রেখেছি। শেষ মুহূর্তে গোল হজম না করার রোগ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমি আমরা ইমোশনটা পেছনে ফেলে দিয়েছিলাম। মাঠে ফোকাসটা ভালোভাবে রাখতে চেয়েছিলাম। মনোযোগ ব্রেক হয়ে গেলে গোল খেয়ে যাবো।'
২২ বছর আগে ২০০৩ সালে সাফে ভারতকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এই ঢাকা স্টেডিয়ামে খেলা হয়েছিল। মশাল গেটের গোলপোস্টে গোল করে ম্যাচ জিতিয়ে ছিলেন মতিউর মুন্না। একই পোস্টে গোল করেছেন মোরসালিন। 'ভারত জয়ের মাসেই আমার জন্ম।' ২০০৩ সালের ২৫ নভেম্বর ফরিদপুর চরভদ্রাসনের ছেলে মোরসালিনের জন্ম। 'আমি মাত্র ফুটবল খেলি। তখন শুনতাম, ভারতকে হারাতে পারছি না আমরা। কখনো যে মনে হয়নি তা না, আমিও স্বপ্ন দেখেছিলাম, জাতীয় দলে খেলতে পারলে গোল করার সুযোগ নেব। আলহামদুলিল্লাহ।'
২২ বছর আগে ভারতকে হারানো বাংলাদেশ ২২ বছর পর ম্যাচ, জেতালেন ২২ বছরের ছেলে মোরসালিন। 'আরও একটা মিল আছে। আমার জার্সি নম্বর ৭, জাতীয় দলে গোল সংখ্যা ৭।' নিজের গোলটা বারবার ভিডিও ফুটেজে দেখেছেন মোরসালিন। গোলের কৃতিত্ব নিজে গায়ে মাখেননি। রাকিব যেভাবে ক্রস করেছিলেন সেটাই পা লাগিয়েছেন মোরসালিন। বলটা ভারতীয় অভিজ্ঞ গোলরক্ষক গুরপ্রীতি সিংয়ের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে ঢুকছে। মোরসালিন বললেন, 'এই গোলটার জন্য আমি রাকিব ভাইকে কৃতিত্ব দেব। উনার পারফেক্ট ক্রসটাই আমাকে গোলের সুযোগ করে দিয়েছিল। আমি শুধু পা লাগিয়ে ছিলাম।'
ভারতের মতো বড় দলের জালে গোল করেও মোরসালিন গোল ক্ষুধায় ভুগছিলেন। তিনি গোল সংখ্যা বাড়াতে চেয়েছিলেন। মোরসালিন, 'আমি গোল করার পর আরও দুই গোল করার টার্গেট করেছিলাম। আমার ভেতরে গোলের ক্ষুধা বেড়ে গিয়েছিল। ১ গোল হলে চলবে না আরও ২ গোল করতে হবে।'
এইটুকু জীবনে ভুলভ্রান্তির কারণে অনেক সময় সমালোচনা শুনতে হয়েছে। তবে মাঠের বাইরের কোনো কিছুই মোরসালিনকে মানসিকভাবে আহত করতে পারে না। 'আমি যখন মাঠে নামি তখন পেশাদার। মাঠে ১০০ ভাগ দেওয়ার চেষ্টা করি। বাইরে কী হয়েছে সেটি আমি টেনে আনি না। আপনি তো দেখলেন, আজকেও কীভাবে অনুশীলন মাঠে নেমেছি-বলছিলেন মোরসালিন। দুপুরে একটু দেরি হয়ে যাচ্ছিল, আবাহনী ক্লাবে ঢুকেই ভাত খেয়ে ড্রেস করে মাঠে নেমেছেন। কোনো বিশ্রাম নেওয়ারও সুযোগ পাননি।'
বসুন্ধরা কিংসের জার্সি গায়ে খেলেছেন শেখ মোরসালিন। বেঞ্চে বসে থাকতে হতো। মোহামেডান সেবার লিগে বসুন্ধরা থেকে ফুটবলার ধার চেয়েছিল। কিন্তু যাকে চেয়েছিল তাকে পায়নি। পেয়েছিল মোরসালিনকে। সেই মোরসালিন মোহামেডানের জার্সি গায়ে বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে খেলতে নেমে কিংসের জালে গোল করেছিলেন। মোহামেডানকে জিতিয়েছিলেন। পরে বসুন্ধরা কিংস মোরাসালিনকে ফিরিয়ে নেয়। সেই জয়ের পরই মোরসালিন দেশের ফুটবলে আলো ফেললেন।
এরপর আবার মোরসালিন কিংসের জার্সি গায়ে খেললেও তাকে বেঞ্চে বসে থাকতে হয়েছে। মোরসালিন বুদ্ধিমানের মতো টাকার ক্লাব ছেড়ে আবাহনীতে যোগ দিলেন। 'আবাহনীতে এসে আমার ট্রেনিংটা আরও ভালো হয়েছে। কোচ মারুফ স্যারের কাছে আমার অনেক উন্নত হয়েছে। আমি আবাহনীতে এসে গেম টাইম পেয়েছি।'
এক মিনিটও স্বস্তি পাচ্ছেন না মোরসালিন। সমর্থকদের আবদার মেটাতে ছবি তোলার জন্য দাঁড়াতে হচ্ছে। সন্ধ্যা গড়িয়ে আবাহনীর অনুশীলন মাঠ ততক্ষণে আঁধারে ঢেকে গেছে। তারপরও সেখানে মোরসালিনকে নিয়ে জটলা। আবাহনীর ম্যানেজার সত্যজিত দাস রূপু তাড়া দিলেন।
নিজে উড়ছেন না, মাটিতে পা রাখছেন। গোল করে আনন্দে ভাসালেও সেদিনের ম্যাচ নিয়ে বলেন, 'এ ধরনের ম্যাচে গোল করে ইমোশনাল হয়ে যাওয়ার পর গোল হজম করতে পারি। সে কারণে আমরা ইমোশনাটাকে ধরে রেখেছি। শেষ মুহূর্তে গোল হজম না করার রোগ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমি আমরা ইমোশনটা পেছনে ফেলে দিয়েছিলাম। মাঠে ফোকাসটা ভালোভাবে রাখতে চেয়েছিলাম। মনোযোগ ব্রেক হয়ে গেলে গোল খেয়ে যাবো।'
২২ বছর আগে ২০০৩ সালে সাফে ভারতকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এই ঢাকা স্টেডিয়ামে খেলা হয়েছিল। মশাল গেটের গোলপোস্টে গোল করে ম্যাচ জিতিয়ে ছিলেন মতিউর মুন্না। একই পোস্টে গোল করেছেন মোরসালিন। 'ভারত জয়ের মাসেই আমার জন্ম।' ২০০৩ সালের ২৫ নভেম্বর ফরিদপুর চরভদ্রাসনের ছেলে মোরসালিনের জন্ম। 'আমি মাত্র ফুটবল খেলি। তখন শুনতাম, ভারতকে হারাতে পারছি না আমরা। কখনো যে মনে হয়নি তা না, আমিও স্বপ্ন দেখেছিলাম, জাতীয় দলে খেলতে পারলে গোল করার সুযোগ নেব। আলহামদুলিল্লাহ।'
২২ বছর আগে ভারতকে হারানো বাংলাদেশ ২২ বছর পর ম্যাচ, জেতালেন ২২ বছরের ছেলে মোরসালিন। 'আরও একটা মিল আছে। আমার জার্সি নম্বর ৭, জাতীয় দলে গোল সংখ্যা ৭।' নিজের গোলটা বারবার ভিডিও ফুটেজে দেখেছেন মোরসালিন। গোলের কৃতিত্ব নিজে গায়ে মাখেননি। রাকিব যেভাবে ক্রস করেছিলেন সেটাই পা লাগিয়েছেন মোরসালিন। বলটা ভারতীয় অভিজ্ঞ গোলরক্ষক গুরপ্রীতি সিংয়ের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে ঢুকছে। মোরসালিন বললেন, 'এই গোলটার জন্য আমি রাকিব ভাইকে কৃতিত্ব দেব। উনার পারফেক্ট ক্রসটাই আমাকে গোলের সুযোগ করে দিয়েছিল। আমি শুধু পা লাগিয়ে ছিলাম।'
ভারতের মতো বড় দলের জালে গোল করেও মোরসালিন গোল ক্ষুধায় ভুগছিলেন। তিনি গোল সংখ্যা বাড়াতে চেয়েছিলেন। মোরসালিন, 'আমি গোল করার পর আরও দুই গোল করার টার্গেট করেছিলাম। আমার ভেতরে গোলের ক্ষুধা বেড়ে গিয়েছিল। ১ গোল হলে চলবে না আরও ২ গোল করতে হবে।'
এইটুকু জীবনে ভুলভ্রান্তির কারণে অনেক সময় সমালোচনা শুনতে হয়েছে। তবে মাঠের বাইরের কোনো কিছুই মোরসালিনকে মানসিকভাবে আহত করতে পারে না। 'আমি যখন মাঠে নামি তখন পেশাদার। মাঠে ১০০ ভাগ দেওয়ার চেষ্টা করি। বাইরে কী হয়েছে সেটি আমি টেনে আনি না। আপনি তো দেখলেন, আজকেও কীভাবে অনুশীলন মাঠে নেমেছি-বলছিলেন মোরসালিন। দুপুরে একটু দেরি হয়ে যাচ্ছিল, আবাহনী ক্লাবে ঢুকেই ভাত খেয়ে ড্রেস করে মাঠে নেমেছেন। কোনো বিশ্রাম নেওয়ারও সুযোগ পাননি।'
বসুন্ধরা কিংসের জার্সি গায়ে খেলেছেন শেখ মোরসালিন। বেঞ্চে বসে থাকতে হতো। মোহামেডান সেবার লিগে বসুন্ধরা থেকে ফুটবলার ধার চেয়েছিল। কিন্তু যাকে চেয়েছিল তাকে পায়নি। পেয়েছিল মোরসালিনকে। সেই মোরসালিন মোহামেডানের জার্সি গায়ে বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে খেলতে নেমে কিংসের জালে গোল করেছিলেন। মোহামেডানকে জিতিয়েছিলেন। পরে বসুন্ধরা কিংস মোরাসালিনকে ফিরিয়ে নেয়। সেই জয়ের পরই মোরসালিন দেশের ফুটবলে আলো ফেললেন।
এরপর আবার মোরসালিন কিংসের জার্সি গায়ে খেললেও তাকে বেঞ্চে বসে থাকতে হয়েছে। মোরসালিন বুদ্ধিমানের মতো টাকার ক্লাব ছেড়ে আবাহনীতে যোগ দিলেন। 'আবাহনীতে এসে আমার ট্রেনিংটা আরও ভালো হয়েছে। কোচ মারুফ স্যারের কাছে আমার অনেক উন্নত হয়েছে। আমি আবাহনীতে এসে গেম টাইম পেয়েছি।'
ক্রীড়া ডেস্ক